ashtoreth|প্রাচীন দেবী আস্তরেথ

ashtoreth knowledge

প্রাচীন দেবী

আস্তরেথ প্রাচীন দেবী ছিলেন যাকে বিভিন্ন প্রাচীন সম্প্রদায়ে পূজা করা হত। তিনি পূর্বের কিছু সময়ে ফোনিশিয়ান, কানানাইট, ফিনিকিয়ান, বাবিলোনিয়ান, এবং ইস্রায়েলিতে অনুষ্ঠিত ধর্মীয় প্রথার অবলম্বন হতে পারেন। তার বিভিন্ন সংস্কৃতিতে প্রকাশ পাওয়া গিয়েছে এবং তার পূজা বিভিন্ন রূপে হত। বাবিলোনিয়ান পাঠকদের মধ্যে আস্তরেথ অস্তর নামে পরিচিত ছিলেন এবং তারা তাকে স্টার বা প্রথম অস্তর হিসেবে ধরতেন। তারা বিভিন্ন তারার পূজা করতেন এবং তার মধ্যে সূর্য এবং মঙ্গলের সাথে তাদের সম্পর্ক দেখানো হত। ফিনিকিয়ান সম্প্রদায়ে, তারা তাকে সূর্যের স্ত্রী হিসেবে ধারণ করতেন এবং তারা বিভিন্ন সূর্য দেবতার সাথে তার মধ্যে সম্পর্ক দেখাতেন। কানানাইট সম্প্রদায়ে, তারা আস্তরেথ মহিলাদের জন্য জলের দেবী হিসেবে পূজা করতেন এবং তারা তাকে সমুদ্রের মহিষী বলে ধারণ করতেন। এই প্রতিষ্ঠানগুলির মাধ্যমে, আস্তরেথের উপাসনা মূলত মহিলাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল এবং তার সাথে পুরুষদের পূজার মাধ্যমে জীবনের বিভিন্ন দিক উন্নতি ও সমৃদ্ধির আশা করা হত।

প্রাচীন দেবী আস্তরেথ

ধর্মীয় উপাসনা

  1. বাস্ক ধর্মে: আস্তরেথ বাস্ক ধর্মের মহৎ দেবী হিসেবে পূজা হত। এখানে তিনি সকল প্রাচীন দেবীদের মধ্যে একটি অধিক গুরুত্বপূর্ণ রূপ ধারণ করেন।
  2. ফিনিকি ধর্মে: ফিনিকি সম্প্রদায়ে আস্তরেথ মহিলাদের জন্য প্রধান উপাস্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত ছিলেন। তারা তাকে সূর্যের স্ত্রী হিসেবে ধারণ করতেন এবং সূর্যের সাথে তাদের সম্পর্ক একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল।
  3. কানানাইট ধর্মে: কানানাইট ধর্মে, আস্তরেথ মহিলাদের জন্য জলের দেবী হিসেবে পূজা হত। তারা তাকে সমুদ্রের মহিষী বলে ধারনা করতেন।

এই সংস্কৃতিগুলি সময়ের প্রথম মাঝে হিন্দু, বাস্ক, ফিনিকি ও কানানাইট ধর্মের মধ্যে একটি সাংস্কৃতিক সমন্বয় প্রদর্শন করে। এই প্রভাবে আস্তরেথ মহিলার উপাসনা এবং ভাবনার বিভিন্ন মূলক সম্পর্কে উত্থানের হিসাব করা হত। এই সাংস্কৃতিক প্রভাব তাকে একটি আলাদা এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থান দিয়েছিল প্রাচীন সমাজে।

প্রাকৃতিক পরিবেশের মাধ্যমে সম্পর্ক

আস্তরেথের ধর্মীয় উপাসনা এবং সামাজিক প্রভাব তার প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে একটি নিকট সম্পর্ক রেখেছিল। তার উপাসনা এবং বিশ্বাসগুলি প্রাকৃতিক উপায়ে আত্মা এবং প্রকৃতির মধ্যে সম্পর্কের উল্লেখ করে।

  1. প্রকৃতিতে দেবীর উপাসনা: আস্তরেথ সাধারণত প্রাকৃতিক মৌসুমের উপাসনা করতেন। একটি উপাসনা হিসেবে, প্রাকৃতিক দৃশ্য এবং প্রাকৃতিক পদার্থ ব্যবহার করে তারা আস্তরেথকে প্রতিষ্ঠিত করতেন।
  2. প্রকৃতিতে সম্মোহন এবং প্রাচীন দেবীর মধ্যে সম্পর্ক: আস্তরেথের বিভিন্ন ধর্মীয় সংস্কৃতি তার প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে একটি ঘোষিত সম্পর্ক দেখাতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, প্রাকৃতিক উপাসনা যে সামাজিক উপাসনা এবং ধর্মীয় উপাসনার একটি মিশ্রণ সৃষ্টি করে তা তাদের প্রাচীন দেবীর সংক্ষিপ্ত ধারণা বা প্রতিষ্ঠানের সাথে মিলিত হত।
  3. প্রকৃতিতে উপাসনার মাধ্যমে পরিবর্তন এবং সম্পর্ক: আস্তরেথের উপাসনা প্রাকৃতিক পরিবেশের মাধ্যমে ব্যক্তিগত এবং সামাজিক পরিবর্তনের জন্য একটি উপায় ছিল। এটি তাদের সামাজিক অবস্থা ও ধর্মীয় বেশীরভাগ কাজের পরিপ্রেক্ষিতে পরিণত হতে সাহায্য করে।

প্রাচীন সময়ে, প্রকৃতিতে উপাসনা এবং সামাজিক অবস্থার মধ্যে একটি সম্পর্ক স্থাপন করা আমাদের মধ্যে আস্তরেথ ধর্মের গভীর বোধগম্য সংক্রান্ত প্রাচীন মহিলাদের পরিচিতির অংশ প্রদান করে। তাদের প্রকৃতিতে উপাসনা প্রাকৃতিক বাতাস, জল, ও পৃথিবীর সঙ্গে একটি মিলনসাধন হিসেবে কাজ করে।

 ইরাণী এবং মেসোপটামিয়ান সভ্যতা

আস্তরেথ ইরাণী এবং মেসোপটামীয় সভ্যতা দুটি বিভিন্ন অঞ্চলে উত্থিত ছিলেন, কিন্তু তাদের মধ্যে কিছু সমান পরামর্শ ও সংস্কৃতির স্থলানুসারে রিলেটেড অংশ রয়েছে।

আস্তরেথ সভ্যতা:
আস্তরেথ সভ্যতা প্রাচীন পূর্বে উত্তর আফ্রিকার সুমেরীয়ান সভ্যতা বাবিলোনিয়ান এবং প্রাচীন ইতিহাসের অন্যান্য বৃহত্তম সভ্যতা দ্বারা প্রভৃতি হতে পারে। আস্তরেথের মূল অঞ্চল এশিয়ান মহাদেশের মধ্যে অবস্থিত ছিল, যা বর্তমান ইরান এবং ব্যাগদাদেশের অংশ। আস্তরেথ সভ্যতা বিভিন্ন ধর্ম, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে উন্নত ছিল। পার্সিয়ান ইম্পায়ার তাদের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ছিল, যা বিস্তৃত এবং শক্তিশালী ছিল।

মেসোপটামীয় সভ্যতা:
মেসোপটামিয়ান সভ্যতা প্রাচীন মেসোপটামিয়া অঞ্চলে উত্থিত হতে পারে, যা বর্তমান ইরাক এবং তার আশপাশের অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত ছিল। এই সভ্যতা বিশেষত বাবিলোনিয়ান ও আসুরিয়ান সভ্যতার মধ্যে প্রধানতম উল্লেখযোগ্য ছিল। মেসোপটামিয়া একটি উন্নত কৃষিভূমি হিসাবে পরিচিত ছিল, এবং এখানে ধানের কৃষি ও চারণ ব্যবসা উন্নত ছিল। প্রথম স্থাপত্য সাংস্কৃতিক অবদান রেখেছিল সুমেরিয়ান সভ্যতা, তারা উন্নত শিল্প ও বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে উত্কৃষ্টতা প্রদর্শন করেছিলেন।

এই দুটি সভ্যতা প্রাচীন ইতিহাসে অনেকগুলি সাংস্কৃতিক ও সামাজিক প্রভাবের ক্ষেত্রে একে অপরকে প্রভৃতি করেছেন, যেমন ধর্ম, শিল্প, সাহিত্য, ও বিজ্ঞান। তবে, এদের মধ্যে বিভিন্নতা ও স্বাধীনতা ছিল যা তাদের প্রতিষ্ঠিত করেছিল।



About author

saikat mondal

Welcome to www.banglashala.com. Banglashala is a unique address for Bengali subjects. banglashala is an online learning platform for Bengalis. So keep learning with us




Leave a Reply

three × 4 =